এই প্রতিবেদন শুধু তথ্যের জন্য। এটি ব্যক্তিগত আর্থিক পরামর্শ নয়, আর সব বিনিয়োগেই ঝুঁকি আছে, ক্ষতির ঝুঁকিসহ।

কর রেয়াতের জন্য অনুমোদিত বিনিয়োগের তালিকায় আছে ডিপিএস, জীবনবিমা, স্বীকৃত ভবিষ্যৎ তহবিলে চাঁদা, সঞ্চয়পত্র, ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড, সুকুক এবং অনুমোদিত সরকারি সিকিউরিটিজ। রেয়াত সাধারণত অনুমোদিত বিনিয়োগের ১৫ শতাংশ, করযোগ্য আয়ের ৩ শতাংশ বা ১০ লাখ টাকার মধ্যে যেটি কম, সেই অঙ্কে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু এই হিসাব জানলেই বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত হয়ে যায় না।

তিনটি ভিন্ন কাজ, তিনটি ভিন্ন মাধ্যম

Ad slot In-article — fluid article / in-body
  • নিরাপত্তা ও নির্দিষ্ট আয় চাইলে: সঞ্চয়পত্র ও সরকারি সিকিউরিটিজ — তবে বিনিয়োগের সীমা, করের নিয়ম ও আগাম ভাঙানোর শর্ত দেখে নিন।
  • নিয়মিত সঞ্চয়ের অভ্যাস চাইলে: ডিপিএস ও জীবনবিমা — ছোট অঙ্কে নিয়মিত জমানো যায়, তবে মেয়াদ শেষের আগে ভাঙালে লাভ কমে।
  • দীর্ঘমেয়াদে প্রবৃদ্ধি চাইলে ও ঝুঁকি নিতে পারলে: তালিকাভুক্ত শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড — এখানে মূলধন কমার ঝুঁকি আছে, তাই জরুরি টাকা এখানে রাখা উচিত নয়।
কর রেয়াত বোনাস হতে পারে, কিন্তু বিনিয়োগের মূল কারণ হতে পারে না। প্রথমে দেখুন টাকাটা কবে লাগবে, তারপর দেখুন রেয়াত।

সাধারণ ভুল যা এড়ানো উচিত

অনেকে ডিসেম্বরে তাড়াহুড়ো করে বিনিয়োগ করেন, শুধু রেয়াত পেতে। এতে ভুল মাধ্যম বেছে নেওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। আবার অনেকে সব টাকা এক জায়গায় রাখেন — যা গত বছরের আলোচনায় বারবার সতর্ক করা হয়েছে। বুদ্ধিমানের পথ হলো: জরুরি তহবিল আলাদা রাখা, তারপর লক্ষ্য অনুযায়ী বিনিয়োগ ভাগ করা, আর বছরের শুরু থেকেই ধীরে ধীরে বিনিয়োগ করা, যাতে ডিসেম্বরের চাপ না পড়ে।

প্রতিদিনের সম্পত্তি, বাজার ও অর্থের খবর পেতে ফেসবুকে Estate News ফলো করুন: https://www.facebook.com/profile.php?id=61593817347872